নকলের ধকল-২০১৬

২০১৫ সাল পর্যন্ত নকল বাংলাদেশী সিনেমার সমারোহ দেখে সাধারণ দর্শকদের মনে একটাই কামনা ছিল ২০১৬ তে এসে যেন আর “দুই টিকিটে এক সিনেমা” দেখতে না হয়। নকল গল্পে সিনেমা নির্মাণের হার কিছুটা কমলেও তা কিন্তু বছরের মোট মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমার এক-তৃতীয়াংশ। আসুন এক নজরে দেখে নেই ২০১৬ সালে আমরা কি কি নকল/রিমেক/অনুপ্রাণিত গল্পের সিনেমা দেখেছি এবং সেগুলোর পরিণতি…

১. অঙ্গার

এলাকার প্রভাবশালী দুই প্রতিপক্ষ দলের এক জোড়া কপোত-কপোতীর নিটোল প্রেমের ঘাত, প্রতিঘাতের গল্প নিয়ে ওয়াজেদ আলী সুমন নির্মাণ করেন রোমান্টিক এ্যাকশন মুভি “অঙ্গার”। সিনেমাটি এস. নারায়ণ রচিত, পরিচালিত ও প্রযোজিত ২০১৩ সালের কানাড়া মুভি Appayya এর অনুকরণে নির্মিত (রিমেক)। যেখানে ওম শ্রীনগর কিত্যি’র ও জলি ভামা’র করা চরিত্রে অভিনয় করেন। সিনেমাটি নিয়ে নির্মাতাদের আকাশচুম্বী প্রত্যাশা থাকলেও চরমভাবে তা ব্যর্থ হয়।

২. পুড়ে যায় মন

একই সাথে বড় হওয়া এক ধনীর দুলালী আর গরীবের পুত্রের অসম প্রেম কাহিনীর করুণ পরিণতির গল্প নিয়ে পরিচালক যুগল অপূর্ব রানা নির্মাণ করেন রোমান্টিক ট্রাজেডি মুভি “পুড়ে যায় মন”। সিনেমাটি চিন্নি কৃষ্ণ রচিত কে. রাঘবেন্দ্র রাও পরিচালিত ২০০৩ সালের তেলুগু সিনেমা Gangotri এর অনুকরণে নির্মিত। যেখানে মূল সিনেমাটির ক্লাইম্যাক্স হ্যাপি এন্ডিং হলেও আমাদেরটা ছিল ট্রাজেডি। সিনেমাটিতে সাইমন সাদিক আল্লু অর্জুনের, পরিমণী অদিতি আগারওয়ালের ও আলীরাজ সুমনের করা চরিত্রে অভিনয় করেন। সিনেমাটি আশানুরূপ সাড়া জাগাতে ব্যর্থ হয়।

৩. হিরো ৪২০

এক ছন্নছাড়া যুবকের স্বার্থপূর্ণ প্রেম খুঁজতে গিয়ে নিঃস্বার্থ প্রেমে পড়ার গল্প নিয়ে সুজিত মণ্ডল ও সৈকত নাসির নির্মাণ করেন ইন্দো-বাংলা যৌথ প্রযোজনার রোমান্টিক এ্যাকশন মুভি “হিরো ৪২০”। সিনেমাটি বি. গোপাল পরিচালিত ২০০৯ সালের তেলুগু মুভি Maska এর অনুকরণে নির্মিত (রিমেক)। যেখানে ওম রামের, রিয়া সেন শীলা’র ও নুসরাত ফারিয়া হানসিকা মোটওয়ানি’র করা চরিত্রে অভিনয় করেন। উল্লেখ্য যে, ঠিক একই গল্পে ২০১২ সালে শাহীন সুমন বাপ্পী, মাহী আর জেরিনকে নিয়ে নির্মাণ করেছিলেন “অন্যরকম ভালোবাসা”। প্রথম রিমেকটি মোটামুটি আলোচিত হলেও “হিরো ৪২০” চরম ব্যর্থ হয়।

৪. মন জানেনা মনের ঠিকানা

এক খুনের মামলায় দুই সংযুক্ত জমজ বোনের জড়িয়ে পড়ার গল্প নিয়ে মুশফিকুর রহমান গুলজার নির্মাণ করেন কোর্টড্রামা থ্রিলার মুভি “মন জানেনা মনের ঠিকানা”। সিনেমাটি ২০১২ সালের ১৪ জানুয়ারি সনি চ্যানেলে প্রচারিত “আদালত” সিরিজের ৮৮তম পর্বের হুবহু নকল। পরিচালক সমিতির উচ্চপদস্থ একজন পরিচালকের এমন কর্মকাণ্ড সত্যিই লজ্জাজনক। সিনেমাটিতে মৌসুমি কে.ডি পাঠক (রনিত রয়ের) এবং পরিমণী ও শিলা দুই জমজ বোন মায়া ও মিহিকা’র করার চরিত্রে অভিনয় করেন। সিনেমাটি প্রথমে আলোচিত হলেও ব্যবসায়িকভাবে সাড়া জাগাতে সক্ষম হয়নি।

৫. বাজে ছেলে-দ্যা লোফার

এক প্রতিশোধপরায়ণ যুবকের সিরিয়াল লেডি কিলিং এর গল্প নিয়ে যুগল পরিচালক সোহেল বাবু নির্মাণ করেন ক্রাইম থ্রিলার মুভি “বাজে ছেলে- দ্যা লোফার”। মুক্তির পূর্বে মৌলিক গল্প বলে প্রচারণা করলেও মুক্তির পরে ফাঁস হয় সিনেমাটি সিলাম্বারাসান রচিত, পরিচালিত ও অভিনীত ২০০৪ সালের তামিল মুভি Manmadhan এর অনুকরণে নির্মিত। যেখানে বাপ্পী সিলাম্বারাসানের ও আরশি জ্যোতিকা’র করা চরিত্রে অভিনয় করেন। সিনেমাটি আশানুরূপ সাড়া জাগাতে ব্যর্থ হয়।

৬. শিকারি

এক আত্মগোপনকারী পেশাদার খুনীর মিশনের গল্প নিয়ে জয়দেপ মুখার্জী ও জাকির হোসেন সীমান্ত নির্মাণ করেন ইন্দো-বাংলা যৌথ প্রযোজনার এ্যাকশন থ্রিলার মুভি “শিকারি”। সিনেমাটি কে.এস. রবিকুমার পরিচালিত ২০০৯ সালের তামিল মুভি Aadhavan এর অনুকরণে নির্মিত (রিমেক)। যেখানে শাকিব খান সুরিয়া’র, শ্রাবন্তী নয়নতারা’র এবং সব্যসাচী চক্রবর্তী মুরালি’র করার চরিত্রে অভিনয় করেন। শাকিবের নতুন অবতার ও নির্মানশৈলীর মুন্সিয়ানার কারণে সিনেমাটি ব্যবসায়িক সফলতার দিক থেকে বছরের সেরা সিনেমার স্থান দখল করে।

৭. মাস্তানি

এক কুচক্রী আত্মঅহংকারী নারী ব্যবসায়ী এবং এক যুবকের বাবার খুনের রহস্য উৎঘাটনের গল্প নিয়ে ফিরোজ খান প্রিন্স নির্মাণ করেন ইরোটিক থ্রিলার মুভি “মাস্তানি”। গলাকাটা পোস্টারের রেকর্ড অধিকারী এই সিনেমাটি পার্থ ঘোষ পরিচালিত ২০০৫ সালের হিন্দি সিনেমা Chetna: The Excitement এর নকল। যেখানে সাদিয়া আফরিন পায়েল রোহাতগি’র, রিপন খান যতিন গ্রেয়ালের এবং মৌমিতা নবনীত কৌরের করা চরিত্রে অভিনয় করেন। উল্লেখ্য যে, আমাদের সিনেমাটিতে কাজী মারুফ যে চরিত্রে অভিনয় করেছেন মূল হিন্দি সিনেমাটিতে সেই ধরণের কোন চরিত্র ছিল না। শুধু নতুন নায়ক রিপন খানকে “সেভ” করার জন্য চরিত্রটি যুক্ত হয়েছিল। সিনেমাটি কোন ইতিবাচক সাড়া ফেলতে পারেনি।

৮. পৌষ মাসের পিরিত

এক বিধবা গুড়ওয়ালী’র প্রেম ও বিচ্ছেদের গল্প নিয়ে নারগিস আক্তার নির্মাণ করেন রোমান্টিক ড্রামা মুভি “পৌষ মাসের পিরিত”। সিনেমাটি মূলত নরেন্দ্রনাথ মিত্রের “রস” উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত। এবং একই গল্পে সুধেন্দু রয় ১৯৭৩ সালে নির্মাণ করেছিলেন Saudagar. সে হিসেবে “পৌষ মাসের পিরিত” সরাসরি নকল সিনেমা নয়। তবে নির্মাণগত দিক থেকে Saudagar এর সাথে পৌষ মাসের পিরিতের অনেক মিল আছে। এখানে পপি নূতনের, টনি ডায়েস অমিতাভ বচ্চনের এবং প্রিয়াংকা পদ্ম খান্না’র করা চরিত্রে অভিনয় করেন। ব্যবসায়িকভাবে না হলেও সিনেমাটি সমালোচকদের কাছে প্রশংসিত হয়।

৯. বসগিরি

এক চাকরীচ্যুত এসি ল্যান্ডের দুর্নীতি প্রতিরোধে মাস্তান বস হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার গল্প নিয়ে শামীম আহমেদ রনী নির্মাণ করেন রোমান্টিক এ্যাকশন মুভি “বসগিরি”। সিনেমাটি হুবহু কোন সিনেমার নকল না হলেও আংশিক (প্রথমাংশ) থীমগত দিক থেকে রাজকুমার হিরানী পরিচালিত ২০০৩ হিন্দি মুভি Munna Bhai MBBS এর আদলে নির্মিত। মূল সিনেমায় নায়ক সঞ্জয় দত্ত মাস্তান হয়েও তার বাবা সুনীল দত্ত’র কাছে ডাক্তার সেজে থাকত, আর আমাদেরটায় নায়ক শাকিব খান মাস্তান হয়েও তার বাবা সাদেক বাচ্চু’র কাছে (ভুয়া) সরকারী ভূমি অফিসার সেজে থাকত। “বসগিরি” সিনেমাটি ব্যবসায়িকভাবে সফলতা অর্জন করে।

১০. রক্ত

এক স্মৃতিভ্রষ্ট নারী সিক্রেট এজেন্টের দেশের শত্রুদের চক্রান্ত নস্যাৎ করার গল্প নিয়ে ওয়াজেদ আলী সুমন নির্মাণ করেন ইন্দো-বাংলা যৌথ প্রযোজনার এ্যাকশন থ্রিলার মুভি “রক্ত”। সিনেমাটি রেনি হার্লিন পরিচালিত ১৯৯৬ এর আমেরিকান মুভি The Long Kiss Goodnight এর অনুকরণে নির্মিত। যেখানে পরীমণি জীনা ড্যাভিসের, রোশন স্যামুয়েল এল. জ্যাকসনের এবং অমিত হাসান ক্রেইগ বিয়ের্কো’র করা চরিত্রে অভিনয় করেন। মুক্তির আগে বেশ আলোচনায় থাকলেও সিনেমাটি ব্যবসায়িকভাবে ব্যর্থ হয়।

১১. আয়নাবাজি

এক জাত অভিনেতার জেলখানায় মূল আসামীদের প্রক্সি দেওয়া ও নানাবিধ ঘটনা-অঘটনের গল্প নিয়ে অমিতাভ রেজা চৌধুরী নির্মাণ করেন সাইকোলজিক্যাল থ্রিলার মুভি আয়নাবাজি। সিনেমাটি হুবহু কোন সিনেমার নকল না হলেও এর থিমগত দিক থেকে সবচেয়ে বেশি মিল আছে লী ডাক-হী পরিচালিত ২০১৩ এর দক্ষিণ কোরিয়ান মুভি Changsoo (Tumbleweed) এর। যেখানে চঞ্চল চৌধুরীর সাথে ইম চ্যাং-জাং এবং নাবিলা’র সাথে সন ইউন-সিও এর করা চরিত্রের কিছুটা মিল আছে। সিনেমাটি রেকর্ড পরিমাণ ব্যবসায়িক সফলতা পায়।

১২. প্রেম কি বুঝিনি

এক অহংবোধসম্পন্ন যুবকের প্রেমের ঘাত-প্রতিঘাতের গল্প নিয়ে সুদীপ্ত সরকার নির্মাণ করেন (তথাকথিত) ইন্দো-বাংলা যৌথ প্রযোজনার রোমান্টিক কমেডি মুভি “প্রেম কি বুঝিনি”। সিনেমাটি সুকুমার পরিচালিত ২০১১ এর তেলুগু সিনেমা 100% Love এর অনুকরণে নির্মিত (রিমেক)। যেখানে ওম নাগা চৈতন্যের এবং শুভশ্রী তামান্না’র করা চরিত্রে অভিনয় করেন। সিনেমাটি বক্স অফিসে মুখ থুবড়ে পড়ে।

১৩. চোখের দেখা

নিজের অপরাধবোধ থেকে এক স্বপ্নবাজ অন্ধ যুবতীর স্বপ্নপুরণ করার সংগ্রামে লিপ্ত এক যুবকের প্রেমের গল্প নিয়ে পি.এ. কাজল নির্মাণ করেন রোমান্টিক ড্রামা মুভি “চোখের দেখা”। সিনেমাটি মূলত প্রদীপ সরকার পরিচালিত ২০১০ সালের হিন্দি সিনেমা Lafangey Parindey এর নকল। যেখানে সাইমন সাদিক নীল নিতিন মুকেশের, অহনা দীপিকা পাড়ুকোনের ও শতাব্দী ওয়াদুদ পিয়ূশ মিশরার করা চরিত্রে অভিনয় করেন। মূল সিনেমাটিতে নায়িকা স্ক্যাটার হতে চায়, আমাদেরটায় নৃত্যশিল্পী। সিনেমাটি চরমভাবে ব্যর্থ হয়।

১৪. অনেক দামে কেনা

এক ভবঘুরে যুবকের এক অন্ধ ফুল বিক্রেতার সাথের প্রেমের ঘাত-প্রতিঘাতের গল্প নিয়ে জাকির হোসেন রাজু নির্মাণ করেন রোমান্টিক কমেডি মুভি “অনেক দামে কেনা”। সিনেমাটি স্যার চার্লি চ্যাপলিন রচিত, পরিচালিত, প্রযোজিত, সঙ্গীতায়োজিত এবং অভিনীত ১৯৩১ এর কালজয়ী আমেরিকান মুভি City Lights এর আদলে নির্মিত। যেখানে বাপ্পী চার্লি চ্যাপলিনের, মাহী ভার্জিনিয়া চেরিলের এবং ডিপজল হ্যারি মিয়ার্সের করা চরিত্রে অভিনয় করেন। সিনেমাটি আশানুরূপ ব্যবসায়িক সফলতা পায়নি।

১৫. রানা পাগলা-দ্যা মেন্টাল

এক মানসিক রোগে আক্রান্ত প্রেমিকের প্রেম-প্রতিশোধের গল্প নিয়ে শামীম আহমেদ রনী নির্মাণ করেন সাইকোলজিক্যাল থ্রিলার মুভি “রানা পাগলা-দ্যা মেন্টাল”। সিনেমার প্রথমাংশ কিছুটা গোপিচাঁদ মালিনেনি পরিচালিত ২০১৩ এর তেলুগু সিনেমা Balapu এর নকল হলেও মূলত সিনেমাটি শশাঙ্ক রচিত ও পরিচালিত ২০১৩ এর কানাড়া মুভি Bachchan এর নকল। যেখানে শাকিব খান সুদীপের, তিশা ভাবনা’র এবং মিশা সওদাগর প্রদীপ রাওয়াতের করা চরিত্রে অভিনয় করেন। ব্যবসায়িক সফলতা পেলেও সিনেমাটি সমালোচকদের কাছ থেকে নেতিবাচক মন্তব্য পায়।

১৬. বাদশা-দ্যা ডন

প্রতিশোধপরায়ণ এক যুবকের শহরের ডন হয়ে উঠার স্বপ্নের গল্প নিয়ে বাবা যাদব নির্মাণ করেন ইন্দো-বাংলা যৌথ প্রযোজনার এ্যাকশন কমেডি মুভি “বাদশা-দ্যা ডন”। সিনেমাটি গোপিচাঁদ মালিনেনি রচিত ও পরিচালিত ২০১০ সালের তেলুগু সিনেমা Don Seenu এর অনুকরণে নির্মিত (রিমেক)। যেখানে জিৎ রবি তেজা’র, নুসরাত ফারিয়া শ্রিয়া সরনের এবং ফেরদৌস শ্রীহরি’র করা চরিত্রে অভিনয় করেন। সিনেমাটি ব্যবসায়িক সফলতা লাভ করতে সক্ষম হয়।

১৭. নিয়তি

এক দুর্ঘটনায় প্রেমী যুগলের প্রেমের নিয়তি পাল্টে যাওয়ার করুণ গল্প নিয়ে জাকির হোসেন রাজু নির্মাণ করেন রোমান্টিক ট্রাজেডি মুভি নিয়তি। সিনেমাটি নিক কাসাভেটস পরিচালিত ২০০৪ সালের আমেরিকান মুভি The Notebook এর আদলে নির্মিত, যেটা আবার নিকোলাস স্পার্ক্স রচিত একই নামের উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত। যেখানে আরিফিন শুভ রিয়ান গোস্লিং এর এবং জলি রাচেল ম্যাকএডামসের করা চরিত্রে অভিনয় করেন। সিনেমাটি মোটামুটি ব্যবসা সফল হয়।

১৮. মুখোশ মানুষ

একটি গোপন ভিডিও এর মাধ্যমে এক বিবাহিত নারীকে ব্ল্যাকমেইল করার গল্প নিয়ে ইয়াসির আরাফাত জুয়েল নির্মাণ করেন ইরোটিক সাইবার ক্রাইম থ্রিলার মুভি “মুখোশ মানুশ”। সিনেমার গল্পটি আপাতঃ মৌলিক (নির্মাতাদের মতে সত্য ঘটনা অবলম্বনে) হলেও সিনেমার ওভারঅল আভ্যন্তরীণ গঠনপ্রণালী ও ক্লাইম্যাক্সের সাথে আনন্দ মহাদেবন পরিচালিত ২০০৬ সালের হিন্দি মুভি Aksar এর যথেষ্ট মিল আছে। যেখানে হিল্লোল ইমরান হাশমি’র, নওশীন উদিতা গোস্বামী’র আর কল্যাণ ডিনো মোরিয়া’র করা চরিত্রে অভিনয় করেন। ব্যতিক্রমী গল্প আর সাহসী দৃশ্যের জন্য সিনেমাটি আলোচিত হলেও, ব্যবসায়িকভাবে সফল নয়।

মন্তব্য করুন।

২ Comments

  1. হলিউডের কপি করছে করুক কিন্তু যখন ভারতের ছবি কপি করে তখন মেজাজ খারাপ লাগে । ভারত বাদে অন্য সব দেশের কপি করুক অপত্তি নাই ।

মন্তব্য করুন