জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার (২০০৫-০৭)

২০০৫ : এই বছর  ১৪টি শাখায় পুরস্কার প্রদান করা হয়।সরকারি অনুদানে নির্মিত শহীদ জহির রায়হানের কালজয়ী উপন্যাস অবলম্বনে কোহিনূর আক্তার সুচন্দার চলচ্চিত্র ‘হাজার বছর ধরে’ সর্বোচ্চ ৭ টি শাখায় পুরস্কার লাভ করে। শাবনূর এই বছর প্রথম জাতীয় পুরস্কার লাভ করেন, এখন পর্যন্ত এটাই শেষ জাতীয় পুরস্কার। ‘হাজার বছর ধরে’র জন্য রিয়াজ পুরস্কৃত না হওয়ায় বেশ বিতর্কের সৃষ্টি হয়।এছাড়া সেরা সংলাপ, সম্পাদক, গীতিকারসহ বেশ কিছু শাখায় পুরস্কার দেয়া হয়নি। তবে সেরা সহ-অভিনেতার পুরস্কার প্রত্যাখ্যান করেন জনপ্রিয় চিত্রনায়ক ইলিয়াস কাঞ্চন। Continue reading

জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার (২০০২-২০০৪)

২০০২ :  মরমী কবি হাছন রাজার জীবনীনির্ভর ছবি চাষী নজরুল ইসলামের ‘হাছন রাজা’ সর্বোচ্চ ৭টি শাখায় পুরস্কার অর্জন করে। প্রখ্যাত পরিচালক কাজী হায়াতের জাতীয় পুরস্কার লাভ করেন ইতিহাস ছবির জন্য,পাশাপাশি তার ছেলে কাজী হায়াত একই ছবির জন্য প্রথমবারের মতো জাতীয় পুরস্কার লাভ করেন। Continue reading

জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার (১৯৯৯-২০০১)

১৯৯৯ : ব্রিটিশ ভারত ভাগ নিয়ে বাংলাদেশের একমাত্র চলচ্চিত্র তানভীর মোকাম্মেলের ‘ চিত্রা নদীর পাড়ে’ ও হুমায়ূন আহমেদের ‘ শ্রাবণ মেঘের দিন’ যৌথভাবে সর্বোচ্চ ৭ টি শাখায় জাতীয় পুরস্কার অর্জন করে। ‘শ্রাবণ মেঘের দিন’ ৭ টি শাখায় পুরস্কৃত হলেও হুমায়ূন আহমেদ পুরস্কৃত হননি। আফসানা মিমি,শাওনের সঙ্গে প্রতিদন্দ্বিতা করে প্রথম সিনেমায় সিমলা জাতীয় পুরস্কার জিতেন।অন্যদিকে মান্নার সাথে প্রতিদন্দ্বিতা করে জনপ্রিয় টিভি অভিনেতা জাহিদ হাসান প্রথম ও একমাত্র জাতীয় পুরস্কার অর্জন করেন।এই বছর সেরা গায়িকা, শিশুশিল্পীসহ কয়েকটি শাখায় পুরস্কার দেওয়া হয়নি। এই বছর ১৮টি শাখায় পুরস্কার প্রদান করা হয়- Continue reading

জাতীয় পুরস্কারে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র

মুক্তিযুদ্ধকে কেন্দ্র করে স্বাধীনতার পর থেকেই চলচ্চিত্র নির্মান শুরু হয়েছে। চাষী নজরুল ইসলাম নির্মান করেছিলেন মুক্তিযুদ্ধের প্রথম চলচ্চিত্র – ওরা ১১ জন। প্রতি বছরই মুক্তিযুদ্ধকেন্দ্রিক চলচ্চিত্র নির্মিত হয়েছে। এর মধ্য থেকে সুনির্মিত চলচ্চিত্রগুলো যোগ্যতার বলে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে ভূষিত হয়েছে। এই পোস্টে আমরা জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারজয়ী মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্রের তালিকা উপস্থাপন করছি। Continue reading

জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার (১৯৮১-১৯৮৩)

syed-shamsul-hoque

জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের জন্য ১৯৮১ সাল একটি আলোচিত বছর। এই বছর তথ্য মন্ত্রণালয়ে জমাকৃত কোনো চলচ্চিত্র জুরি বোর্ডের কাছে যোগ্য বিবেচিত না হওয়ায় জাতীয় পুরস্কার বাতিল করা হয়। Continue reading