জনা

অভিনেত্রী জনা চলচ্চিত্রে এসেছিলেন অনেক সম্ভাবনা নিয়ে। কিন্তু হঠাৎ করেই বিয়ে করে সংসারী হয়ে আমেরিকায় পাড়ি জমান। ঢাকার উত্তরায় রয়েছে জনার নিজস্ব ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ‘আরিয়ান ফ্যাশন হাউস’। এই ব্যবসা দেখা শোনার জন্যই বছরের নির্দিষ্ট সময়ে দেশে ফিরেন জনা।

ছোটবেলা থেকেই মা-বাবা চেয়েছিলেন বড় হয়ে সাংস্কৃতিক অঙ্গনে পা রাখুক জনা। তাই খুলনা থেকে এইচএসসি পাস করেই তিনি ঢাকায় আসেন। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়াশোনা শেষ করেই শুরু করেন নাটকে অভিনয়। জনা অভিনীত প্রথম দুটি নাটকের পরিচালক ছিলেন বুলবুল আহমেদ। নাটক দুটি প্রচারিত হওয়ার পর মিডিয়ার অনেকেই জনার সম্পর্কে আগ্রহী হয়ে ওঠেন। বড় পর্দার পরিচালক রেজা হাসমত একদিন তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করেন। রেজা সে সময় তাঁর নতুন ছবিতে শাকিল খানের বিপরীতে অভিনয়ের জন্য নতুন নায়িকা খুঁজছিলেন। জনাকে সামনাসামনি দেখেই পছন্দ হয়ে যায় তাঁর। সঙ্গে সঙ্গে ‘হৃদয়ের বাঁশি’ ছবির জন্য চুক্তিবদ্ধ করলেন জনাকে। ২০০২ সালে জনা অভিনীত এ ছবিটি মুক্তি পায়। এরপর তাঁকে আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি।

প্রথম ছবির নায়ক শাকিল খানের সাথে প্রেম করে বিয়ে করেছিলেন জনা। বিয়ের পর চলচ্চিত্র থেকে দূরে সরে গিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু সে বিয়ে বেশীদিন টিকে নি। বিয়ে ভেঙ্গে যাওয়ার পর আবার ফিরে এলেও নিয়মিত হন নি। তারপর একসময় চলচ্চিত্রকে বিদায় জানিয়ে দেশান্তরী হন জনা। বর্তমানে তিনি স্বামী সন্তান নিয়ে প্রবাসে থাকছেন।

জনা একটি কন্যা সন্তানের জননী। সন্তানের নাম জেনেফা।

 

ব্যক্তিগত তথ্যাবলি

ডাকনাম জনা
জন্মস্থান বাগেরহাট।