কবরী

বাংলা চলচ্চিত্রের মিষ্টি মেয়ে খ্যাত কবরী সুভাষ দত্ত পরিচালিত ‘সুতরাং’ ছবিতে অভিনয়ের মধ্য দিয়ে চলচ্চিত্রে আগমন করেন। পরবর্তীকালে তিনি শতাধিক চলচ্চিত্রে মূল নায়িকা হিসেবে অভিনয় করেছেন। ১৯৬০-এর দশকের শেষের দিক থেকে চিত্রনায়ক রাজ্জাকের সাথে তার জুটি জনপ্রিয়তা অর্জন করে। এই জুটি ‘আবির্ভাব’, ও ‘বাঁশরী’ (১৯৬৮); ‘ময়নামতি’, ‘আগন্তুক’ ও ‘নীল আকাশের নীচে’ (১৯৬৯);  ‘যে আগুনে পুড়ি’, ‘ক খ গ ঘ ঙ’, ‘অধিকার’, ‘ঢেউয়ের পর ঢেউ’, ‘পিতাপুত্র’, ‘কাঁচ কাটা হীরে’, ও ‘দীপ নেভে নাই’ (১৯৭০); ‘রংবাজ’ (১৯৭৩); ‘গুন্ডা’ (১৯৭৬) সহ অসংখ্য জনপ্রিয় চলচ্চিত্র উপহার দেয়। তার অভিনীত উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্রগুলো হল ‘হীরামন’, ‘চোরাবালি’, ‘পারুলের সংসার’, ‘বিনিময়’। তিনি জহির রায়হানের তৈরি উর্দু ছবি ‘বাহানা’ এবং ভারতের চলচ্চিত্র নির্মাতা ঋত্বিক ঘটকের ‘তিতাস একটি নদীর নাম’ ছবিতেও অভিনয় করেন৷

কবরীর জন্ম ১৯৫২ সালের ১৯ জুলাই চট্রগ্রামে। তার প্রকৃত নাম মীনা পাল। পিতা শ্রীকৃষ্ণ দাস পাল এবং মা শ্রীমতী লাবণ্যপ্রভা পাল।

 

উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্র

ব্যক্তিগত তথ্যাবলি

পুরো নাম সারাহ বেগম কবরী
ডাকনাম মিনা পাল
জন্ম তারিখ জুলাই ১৯, ১৯৫০
জন্মস্থান বোয়ালখালী, চট্টগ্রাম, বাংলাদেশ

কর্মপরিধি

পুরষ্কার

পুরষ্কার বছর ফলাফল বিভাগ/গ্রহীতা চলচ্চিত্র
জয়ী শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী লালন ফকির